আজকের সংবাদ | Promoting Diversity, Teaching Culture.
ig x ▶

Promoting Diversity, Teaching Culture.

শিরোনাম
বিদায়ী ম্যাচ খেলতে চান না ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোউত্তরায় চীনা নাগরিকদের রহস্যময় ভিডিও ধারণ, উদ্দেশ্য কীখুলনায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রাফিতিতে কালিজামায়াতে ইসলামীর ইসলাম আমাদের ইসলাম নয়: হেফাজত আমিরজয় দিয়েই সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু বাংলাদেশেরশেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীবিদায়ী ম্যাচ খেলতে চান না ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোউত্তরায় চীনা নাগরিকদের রহস্যময় ভিডিও ধারণ, উদ্দেশ্য কীখুলনায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রাফিতিতে কালিজামায়াতে ইসলামীর ইসলাম আমাদের ইসলাম নয়: হেফাজত আমিরজয় দিয়েই সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু বাংলাদেশেরশেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
আন্তর্জাতিক

৯/১১ হামলার ২৫ বছর পরেও শেষ হয়নি গোয়েন্দা ব্যর্থতার বিতর্ক

MATI PROTIDIN•September 11, 2026
শেয়ার করুন:

যেকোনো সরকারের মৌলিক ও প্রধান দায়িত্ব হচ্ছে নিজ দেশের নাগরিকদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা—বিগত কয়েক দশকে বহু বিশ্বনেতাই এই কথাটি বারবার উচ্চারণ করেছেন। কিন্তু ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের হামলায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সেই নিরাপত্তা প্রদানে চরমভাবে ব্যর্থ হয়।

তৎকালীন সময়ে প্রয়োজনীয় গোয়েন্দা তথ্য হাতে থাকা সত্ত্বেও, ট্র্যাজিকবশত সময়মতো সেগুলোকে সঠিকভাবে বিশ্লেষণ ও কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি।
৯/১১—যে নামে আমেরিকার এই হামলাগুলো পরিচিত লাভ করে—চলতি শতাব্দীর প্রথম দুই দশকের পররাষ্ট্র, নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা নীতি নির্ধারণে অন্যতম প্রধান ভূমিকা পালন করেছে। বিবিসির নিরাপত্তা বিষয়ক প্রতিবেদক ফ্র্যাঙ্ক গার্ডনারের এক প্রতিবেদনে এসব কথা তুলে ধরেন।

চলতি শতাব্দীর প্রথম দুই দশকে আমেরিকার পররাষ্ট্র, নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা নীতি নির্ধারণে ৯/১১-এর হামলা অন্যতম প্রভাবশালী ভূমিকা পালন করেছে।

বিবিসির নিরাপত্তা বিষয়ক প্রতিবেদক ফ্র্যাঙ্ক গার্ডনার তার এক প্রতিবেদনে বিষয়টি তুলে ধরেছেন। তার প্রতিবেদনটি তুলে ধরা হলো।
২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর আল-কায়দার আত্মঘাতী বিমান হামলায় ২,৯৭৭ জন প্রাণ হারান। ঘটনার সময় আমি মধ্যপ্রাচ্য ব্যুরো থেকে ফিরছিলাম।

তেল আবিবের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দর যাওয়ার পথে এক ফিলিস্তিনি ট্যাক্সি ড্রাইভার রেডিওর সাউন্ড বাড়িয়ে হঠাৎ বলে উঠলেন, “আমেরিকায় বড় কিছু একটা ঘটে গেছে।” তাঁর সেই কথাটি বিন্দুমাত্র বাড়িয়ে বলা ছিল না।”
এই হামলা কিন্তু হঠাৎ করে ঘটেনি। ২০০১ সালের বহু পূর্বেই সিআইএ আল-কায়দা নেটওয়ার্ক এবং তাদের নির্বাসিত সৌদি নেতা ওসামা বিন লাদেনের গতিবিধি সম্পর্কে অবহিত ছিল। এমনকি লাদেনকে খুঁজে বের করতে একটি বিশেষ টাস্কফোর্সও গঠন করা হয়েছিল।

১১ সেপ্টেম্বরের হামলার ঠিক নয় দিন পর তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ আনুষ্ঠানিকভাবে “সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ” ঘোষণা করেন।

পরবর্তী ২৫ বছরে আটলান্টিকের উভয় পারেই বেশ কিছু গোয়েন্দা সাফল্যের পাশাপাশি ব্যর্থতার ঘটনাও ঘটেছে। সাফল্যের মধ্যে রয়েছে নস্যাৎ করে দেওয়া ষড়যন্ত্র, সন্দেহভাজনদের গ্রেফতার, বিচারে সোপর্দ করা এবং দণ্ড প্রদান।

পরবর্তী ২৫ বছরে আটলান্টিকের দুই পারেই গোয়েন্দা সাফল্যের পাশাপাশি বেশ কিছু ব্যর্থতার চিত্রও দেখা গেছে। নস্যাৎ হওয়া ষড়যন্ত্র, সন্দেহভাজনদের গ্রেপ্তার, বিচারে সোপর্দকরণ এবং অপরাধীদের দণ্ড প্রদান—এসবই ছিল তাদের উল্লেখযোগ্য সাফল্য।

তবে সার্বিক চিত্রটি কী বলে? গত ২৫ বছরে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, সন্ত্রাস দমন ও কৌশলগত পরিকল্পনায় কী রূপ পরিবর্তন এসেছে?

বড় গোয়েন্দা ব্যর্থতা

৯/১১ ছিল মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কল্পনাশক্তির অভাব ও মারাত্মক ব্যর্থতার। তৎকালীন সময়ে সিআইএ ও এফবিআইয়ের কাছে থাকা তথ্যগুলো সঠিকভাবে শেয়ার করা হলে এই হামলা সহজেই ঠেকানো যেত।

পরবর্তীতে প্রকাশিত ‘৯/১১ কমিশন রিপোর্ট’-এ মার্কিন সরকারের “কল্পনাশক্তি, নীতি, সক্ষমতা ও ব্যবস্থাপনার ব্যর্থতা”-কে দায়ী করা হয়। এতে বলা হয়, সিআইএ ও এফবিআই গোয়েন্দা তথ্য সঠিকভাবে মূল্যায়ন, পারস্পরিক আদান-প্রদান এবং হামলাটি নস্যাৎ করতে ব্যর্থ হয়েছে।

পরবর্তীতে এই ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থাগুলো পারস্পরিক তথ্য আদান-প্রদান ব্যবস্থা বেশ জোরদার করেছে। এখন আর যুক্তরাজ্যের এমআই৫ (MI5) ও পুলিশ কাউন্টার টেররিজমের মধ্যে পুরনো প্রতিযোগিতা নেই। আঞ্চলিক ‘ফিউশন সেন্টার’ ও লন্ডনের ‘কাউন্টার টেররিজম অপারেশনস সেন্টার’-এর মাধ্যমে এখন এমআই৫ কর্মকর্তা, পুলিশ অফিসার, এফবিআই এজেন্ট ও জিসিএইচকিউ (GCHQ)-এর ভাষা বিশেষজ্ঞরা এক ছাদের নিচেই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছেন।

৯/১১-এর পর যুক্তরাষ্ট্রের ১৮টি গোয়েন্দা সংস্থার মধ্যে সমন্বয় ও অবাধ তথ্য প্রবাহ নিশ্চিতে ‘ন্যাশনাল কাউন্টার টেররিজম সেন্টার’ গঠন এবং ‘ডিরেক্টর অব ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স’ পদ সৃষ্টি করা হয়। বর্তমানে মার্কিন সিআইএ ও ব্রিটিশ এমআই৬-এর সম্পর্ক বিশ্বের সবচেয়ে নিবিড়। এর পাশাপাশি ‘ফাইভ আইজ’ জোটে আমেরিকা, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় হয়ে থাকে।

টুইন টাওয়ারে বিমান হামলার পর থেকে গোয়েন্দা তথ্য মূল্যায়ন ও কৌশলগত পরিকল্পনায় বেশ কিছু মারাত্মক ব্যর্থতা লক্ষ্য করা গেছে। ২০০৩ সালে ইরাকে মার্কিন নেতৃত্বাধীন আক্রমণের প্রাক্কালে এমআই৬ তাদের গোয়েন্দা তথ্যকে রাজনীতিকরণের সুযোগ দেয়। ১৯৫০ ও ৬০-এর দশকে কিম ফিলবিসহ অন্যান্য সোভিয়েত চরদের বিশ্বাসঘাতকতার ঘটনার পর, এটিই ছিল এমআই৬-এর জন্য সবচেয়ে বড় ভাবমূর্তি সংকট।

ইরাকের প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনের কাছে তখনও ‘গণবিধ্বংসী অস্ত্র’ (WMD) আছে—এমন প্রমাণ জোগাড়ের জন্য ওয়াশিংটন থেকে তীব্র রাজনৈতিক চাপ ছিল। এর প্রেক্ষাপটে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারের সরকারকে এমন কিছু গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ করে এমআই৬, যা পরবর্তীতে ভুল প্রমাণিত হয়। অতীতে ইরাকের কাছে গণবিধ্বংসী অস্ত্র থাকলেও ১৯৯১ সালের গালফ ওয়ারের (উপসাগরীয় যুদ্ধ) পরপরই সেগুলো ধ্বংস করা হয়েছিল।

২০০৩ সালে ইরাক আক্রমণের পর, এমআই৬ তাদের ফিল্ড এজেন্টদের মাধ্যমে প্রাপ্ত কাঁচা গোয়েন্দা তথ্য (CX) মূল্যায়নের পুরো প্রক্রিয়াটি নতুন করে ঢেলে সাজায়। বর্তমানে সংস্থাটিতে এজেন্ট পরিচালকদের (যারা ইরান, উত্তর কোরিয়া বা আল-কায়েদার মতো নিষিদ্ধ সংগঠনের তথ্য সংগ্রহ করেন) সঙ্গে রিপোর্ট দলের (যাদের কাজ সংগৃহীত তথ্য যাচাই-বাছাই ও পুঙ্খানুপুঙ্খ পরীক্ষা করা) সুস্পষ্ট বিভাজন রয়েছে।

ইরাক যুদ্ধে ডিভিশনাল কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী জেনারেল স্যার রিচার্ড শিরেফ বলেন, “২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধটি ছিল মারাত্মক ত্রুটিপূর্ণ গোয়েন্দা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত। আমরা কি এই ভুল থেকে কিছু শিখতে পেরেছি? না, আমার মনে হয় শেখার ব্যাপারে আমরা ভীষণ দুর্বল। এক জন কমান্ডার হিসেবে আমার কাছে এটা অত্যন্ত স্পষ্ট ছিল যে, আমরা মূলত একটি কৌশলগত ব্যর্থতার দিকেই এগিয়ে যাচ্ছি।”

ইরাক আক্রমণের পর পরবর্তীতে আবারও তদন্ত কমিটি গঠিত হয়, যার চূড়ান্ত রূপ ছিল ‘বাটলার রিভিউ’। এই রিভিউতে সিদ্ধান্ত টানা হয় যে, ইরাকের কথিত গণবিধ্বংসী অস্ত্র কর্মসূচির বিষয়ে যুক্তরাজ্য সরকারের গোয়েন্দা তথ্যগুলো ছিল “মারাত্মকভাবে ত্রুটিপূর্ণ এবং তা অসত্য বা যাচাইহীন উৎসের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল ছিল।”

অন্যদিকে, সন্ত্রাসী পরিকল্পনা নস্যাৎ করার ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা এমআই৫ ও নানা সাফল্যের পাশাপাশি বেশ কিছু ব্যর্থতার সম্মুখীন হয়েছে। ২০০৭ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত সংস্থাটির মহা-পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা লর্ড জোনাথন ইভান্সের মতে, “৯/১১-এর হামলার পর তৎকালীন মূল্যায়ন ছিল যে, যুক্তরাজ্যের জন্য সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা হুমকি হলো আল-কায়দা এবং তার সহযোগী ব্যক্তি ও সংগঠনগুলো।”

তবে সেই সময়ে ২০,০০০-এরও বেশি “সন্দেহভাজন ব্যক্তির” বিশালাকার ডাটাবেস এবং একসঙ্গে অসংখ্য তদন্ত চলায় এমআই৫-কে প্রতিনিয়ত চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হতো যে, কোন সূত্রটিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। ফলে তারা সবসময় সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম হয়নি।

২০০৫ সালে লন্ডনে সংঘটিত ৭/৭-এর আত্মঘাতী বোমা হামলা প্রতিরোধে ব্যর্থ হয় এমআই৫, এতে ৫২ জন নিরীহ মানুষ প্রাণ হারান। এর মূল পরিকল্পনাকারী মোহাম্মদ সিদিক খানের বিষয়ে সংস্থাটি অবগত থাকলেও, তিনি কী ভয়াবহ পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছেন—সে সম্পর্কে তাদের কোনো ধারণা ছিল না। ২০১৭ সালের ম্যানচেস্টার অ্যারেনা বোমা হামলাও ছিল এই সংস্থাটির আরেকটি সাম্প্রতিক বড় ব্যর্থতা।

বর্তমানে সন্ত্রাসবাদের হুমকি একদম শেষ হয়ে না গেলেও, লর্ড ইভান্সের মতে, “পরিস্থিতি অনেকটাই বদলে গেছে। অরাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর হুমকি এখনও চিন্তার বিষয়, তবে বিভিন্ন রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আসা হুমকিগুলো এখন জাতীয় নিরাপত্তার জন্য সমপরিমাণ মারাত্মক হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর এই হুমকিগুলো প্রধানত রাশিয়া, ইরান, তাদের প্রক্সি (সহযোগী গোষ্ঠী) এবং চীনের কাছ থেকে আসছে।”

ইসরায়েলের সঙ্গে যোগ দিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানে হামলার সিদ্ধান্তকেও একটি বড় গোয়েন্দা ব্যর্থতা বলা যায়। হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়ে ইরানের প্রতিশোধ নেওয়ার ঝুঁকির বিষয়ে সতর্কবার্তা থাকা সত্ত্বেও ট্রাম্পের কাছে কোনো পাল্টা কৌশল ছিল না। ফলে ইরানের পদক্ষেপের পর বিশ্বব্যাপী জ্বালানি বাজারে তীব্র অস্থিরতা।

সম্পর্কিত সংবাদ

এবার ‘ইনশাআল্লাহকে’ ‘আলহামদুলিল্লাহতে’ বদলে দিতে পারি: সিনেটর আবদুল এল-সাইয়েদ
আন্তর্জাতিক

এবার ‘ইনশাআল্লাহকে’ ‘আলহামদুলিল্লাহতে’ বদলে দিতে পারি: সিনেটর আবদুল এল-সাইয়েদ

November 4, 2026

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সিনেট নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সকে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আবদুল এল-সাইয়েদ। ডেমোক্র্যাট সিনেটর...

আরও পড়ুন
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ইতিহাস গড়লেন ২৭ বছর বয়সী মুসলিম তরুণী
আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ইতিহাস গড়লেন ২৭ বছর বয়সী মুসলিম তরুণী

November 4, 2026

যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের সিনেট নির্বাচনে জয় পেয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ২৭ বছর বয়সী মুসলিম তরুণী নাবিলা সৈয়দ। ডেমোক্রেটিক পার্টির...

আরও পড়ুন
মার্কিন নির্বাচনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত দুই সিনেটরের জয়
আন্তর্জাতিক

মার্কিন নির্বাচনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত দুই সিনেটরের জয়

November 4, 2026

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে জয় পেয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত দুই রাজনীতিক। জর্জিয়ার স্টেট সিনেটর শেখ রহমান বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন।...

আরও পড়ুন