আজকের সংবাদ | Promoting Diversity, Teaching Culture.
ig x

Promoting Diversity, Teaching Culture.

শিরোনাম
শিশুদের ক্যানসার চিকিৎসায় ২৬ লাখ ইউরো দিচ্ছেন মেসিলোকসানের কারণে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি: বিপিসিরআট মাসে নিখোঁজের পর ৩৬ শিশুর মরদেহ উদ্ধার: আসকইত্যাদি এবার জামালপুরে, থাকছে যেসব চমকমধ্যপ্রাচ্যে ইরান যুদ্ধের প্রভাব ভূমিকম্পের মতো: কাতারের প্রধানমন্ত্রীরাশিয়ার পার্লামেন্ট নির্বাচনে এগিয়ে পুতিনের দলশিশুদের ক্যানসার চিকিৎসায় ২৬ লাখ ইউরো দিচ্ছেন মেসিলোকসানের কারণে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি: বিপিসিরআট মাসে নিখোঁজের পর ৩৬ শিশুর মরদেহ উদ্ধার: আসকইত্যাদি এবার জামালপুরে, থাকছে যেসব চমকমধ্যপ্রাচ্যে ইরান যুদ্ধের প্রভাব ভূমিকম্পের মতো: কাতারের প্রধানমন্ত্রীরাশিয়ার পার্লামেন্ট নির্বাচনে এগিয়ে পুতিনের দল
সিলেট

রায়ে সন্তুষ্ট নয় আসামীপক্ষ, উচ্চ আদালতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত

MATI PROTIDINJuly 14, 2026
শেয়ার করুন:

দীর্ঘ প্রায় ছয় বছর পর সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে এক তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের আলোচিত মামলার রায় দিয়েছেন আদালত। রায়ে প্রধান আসামি সাইফুর রহমানকে মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে অপর্যাপ্ত প্রমাণের কারণে চার আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। তবে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা এ রায়ে সন্তুষ্ট নন। এর বিরুদ্ধে তারা উচ্চ আদালতে আপিল করার ঘোষণা দিয়েছেন।

মঙ্গলবার দুপুরে সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এ রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, তারেকুল ইসলাম রনি ও অর্জুন লস্করকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অন্যদিকে আইনুদ্দিন ওরফে আইনুল, মিসবাউল ইসলাম ওরফে রাজন, রবিউল ইসলাম ও মাহফুজুর রহমানকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
রায় ঘোষণার পর সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা।

আসামিপক্ষের আইনজীবী শাহ মোশাহিদ আলী সাংবাদিকদের বলেন, আদালতে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ হয়নি। তাঁর দাবি, ভুক্তভোগী আদালতে আসামিদের শনাক্ত করেননি এবং সাক্ষ্য-প্রমাণেও তাঁদের সম্পৃক্ততা প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তবু কয়েকজনকে দণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ কারণে তাঁরা উচ্চ আদালতে যাবেন।

আসামিপক্ষের আরও আইনজীবী মাহফুজুর রহমান ও তাজউদ্দিনও রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার কথা জানান।

এর আগে সকালে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে আট আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় কয়েকজন আসামি নিজেদের নির্দোষ দাবি করে বলেন, তাঁরা ধর্ষণের সঙ্গে জড়িত নন এবং রাজনৈতিক বিরোধের কারণে তাঁদের মামলায় আসামি করা হয়েছে।

রায়কে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই আদালত প্রাঙ্গণে আইনজীবী, স্বজন ও গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে বেড়াতে যাওয়া এক তরুণীকে তাঁর স্বামীকে আটকে রেখে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। ঘটনাটি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে।
ভুক্তভোগীর স্বামী শাহপরান থানায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও দুজনকে আসামি করে মামলা করেন।

ঘটনার পর আসামিরা পালিয়ে গেলেও তিন দিনের মধ্যে পুলিশ ও র‍্যাব অভিযান চালিয়ে নাম উল্লেখ করা ছয়জনসহ মোট আটজনকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাঁদের কয়েকজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

তদন্তে সংগৃহীত আলামতের ডিএনএ পরীক্ষায় আট আসামির মধ্যে ছয়জনের সঙ্গে ধর্ষণের আলামতের মিল পাওয়া যায় বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

পরে ২০২১ সালের ৩ ডিসেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, শাহপরান থানার তৎকালীন পরিদর্শক (তদন্ত) ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য আটজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে মঙ্গলবার এ মামলার রায় ঘোষণা করা হলো।

সম্পর্কিত সংবাদ

যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়ে সিলেটি শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিয়ে কড়াকড়ি
সিলেট

যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়ে সিলেটি শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিয়ে কড়াকড়ি

September 20, 2026

যুক্তরাজ্যে উচ্চশিক্ষার জন্য যেতে আগ্রহী সিলেটের শিক্ষার্থীদের সামনে নতুন করে ভর্তি-সংক্রান্ত জটিলতা তৈরি হয়েছে। দেশটির কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশি...

আরও পড়ুন