আজকের সংবাদ | Promoting Diversity, Teaching Culture.
ig x

Promoting Diversity, Teaching Culture.

শিরোনাম
লোকসানের কারণে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি: বিপিসিরআট মাসে নিখোঁজের পর ৩৬ শিশুর মরদেহ উদ্ধার: আসকইত্যাদি এবার জামালপুরে, থাকছে যেসব চমকমধ্যপ্রাচ্যে ইরান যুদ্ধের প্রভাব ভূমিকম্পের মতো: কাতারের প্রধানমন্ত্রীরাশিয়ার পার্লামেন্ট নির্বাচনে এগিয়ে পুতিনের দলজাতিসংঘের পথে প্রধানমন্ত্রী, সফরসঙ্গী ৩৫ জনলোকসানের কারণে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি: বিপিসিরআট মাসে নিখোঁজের পর ৩৬ শিশুর মরদেহ উদ্ধার: আসকইত্যাদি এবার জামালপুরে, থাকছে যেসব চমকমধ্যপ্রাচ্যে ইরান যুদ্ধের প্রভাব ভূমিকম্পের মতো: কাতারের প্রধানমন্ত্রীরাশিয়ার পার্লামেন্ট নির্বাচনে এগিয়ে পুতিনের দলজাতিসংঘের পথে প্রধানমন্ত্রী, সফরসঙ্গী ৩৫ জন
সিলেট

সিলেটে ভবন নির্মাণে এখন থেকে লাগবে উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন

MATI PROTIDINAugust 17, 2026
শেয়ার করুন:

সিলেট মহানগর ও আশপাশের এলাকায় ভবন নির্মাণ, সম্প্রসারণ কিংবা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে এখন থেকে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিউক) অনুমোদন নিতে হবে। একই সঙ্গে ভূমি ব্যবহার, জলাধার খনন ও পুনঃখননসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রমেও কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদন প্রয়োজন হবে।

রোববার (১৬ আগস্ট) সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদীর স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এর আগে নগর এলাকায় ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে সিলেট সিটি করপোরেশন ও ফায়ার সার্ভিসের অনুমোদন নেওয়া হতো। এখন এর সঙ্গে যুক্ত হলো সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন।

গণবিজ্ঞপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে চেয়ারম্যান কয়েস লোদী বলেন, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইনের বিধান অনুযায়ী এ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। পরিকল্পিত ও সুশৃঙ্খল নগরায়ণ এবং পরিবেশবান্ধব সিলেট গড়ে তোলাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সিলেট মহানগরী ও সংলগ্ন এলাকায় পরিকল্পিত উন্নয়ন, সুশৃঙ্খল নগরায়ণ এবং পরিবেশ সংরক্ষণের লক্ষ্যে প্রচলিত আইন, বিধি ও বিধিমালা অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা করছে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ।

এতে ভূমি ব্যবহারের ছাড়পত্র, ভবন নির্মাণের নকশা অনুমোদন এবং জলাধার খনন বা পুনঃখননের জন্য সিউকের কার্যালয়ে আবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ইমারত নির্মাণ আইন, ১৯৫২, ইমারত নির্মাণ বিধিমালা, ১৯৯৬ এবং বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড, ২০২০ অনুসরণ করে সিউকের আওতাধীন এলাকায় ভূমি জরিপ, মাটি পরীক্ষা এবং ভবনের স্থাপত্য, কাঠামো, বৈদ্যুতিক ও পানি-নিষ্কাশন সংক্রান্ত নকশা প্রণয়ন করতে হবে।

এসব নকশা সিউকের তালিকাভুক্ত স্থপতি, প্রকৌশলী বা নকশাকারকের মাধ্যমে তৈরি করে অনুমোদনের জন্য আবেদন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গণবিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ৫ ধারা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট আবাসন প্রতিষ্ঠানকে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নিবন্ধন নিতে হবে।

সিউকের পূর্বানুমোদন ছাড়া কোনো ভবন নির্মাণ, সম্প্রসারণ বা পরিবর্তন করা যাবে না। নির্মাণকাজও অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী সম্পন্ন করতে হবে। একই সঙ্গে অবৈধ দখল, জলাধার ভরাট কিংবা পরিবেশের ক্ষতি হয় এমন কোনো কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আইন ও বিধিমালা লঙ্ঘন করে কোনো কার্যক্রম পরিচালনা করা হলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে সতর্ক করা হয়েছে।

গণবিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২৩-এর ৫৪ ধারা অনুযায়ী আইনটি কার্যকর হওয়ার পর এর আওতাভুক্ত বিষয়ে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ছাড়া অন্য কোনো কর্তৃপক্ষের অনুমতির মাধ্যমে পরিচালিত কার্যক্রম অকার্যকর ও অননুমোদিত হিসেবে গণ্য হবে।

ফলে সিলেট মহানগর ও সিউকের আওতাধীন এলাকায় নতুন ভবন নির্মাণ বা বিদ্যমান ভবনে বড় ধরনের পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের এখন থেকে সিউকের অনুমোদন নেওয়ার পাশাপাশি নির্ধারিত আইন ও নকশা মেনে কাজ করতে হবে।

সম্পর্কিত সংবাদ

যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়ে সিলেটি শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিয়ে কড়াকড়ি
সিলেট

যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়ে সিলেটি শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিয়ে কড়াকড়ি

September 20, 2026

যুক্তরাজ্যে উচ্চশিক্ষার জন্য যেতে আগ্রহী সিলেটের শিক্ষার্থীদের সামনে নতুন করে ভর্তি-সংক্রান্ত জটিলতা তৈরি হয়েছে। দেশটির কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশি...

আরও পড়ুন