বিমানবন্দরে লাগেজ সংগ্রহ নিয়ে এখন আর ভোগান্তি নেই: বিমানমন্ত্রী
বর্তমান বিমানবন্দরে সেবার বিষয়ে যাত্রীদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি বলেন, বিশেষ করে লাগেজ সংগ্রহ ও ব্যাগ নিয়ে আগে যে ধরনের ভোগান্তি হতো, তা এখন আর নেই। বুধবার (৪ নভেম্বর) বিমানবন্দরে পরিদর্শন শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটে সম্প্রতি দেখা দেওয়া যান্ত্রিক ত্রুটি প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, এ ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন জমা পড়েছে। তদন্তে কারও গাফিলতি বা অবহেলার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
তিনি বলেন, ঢাকা থেকে উড়োজাহাজটি সম্পূর্ণ ঠিকঠাক অবস্থায় ছেড়ে গিয়েছিল। তবে জাপান থেকে ফেরার পথে উড়োজাহাজের ডানার পেছনের অংশে থাকা ফ্ল্যাপে কিছুটা সমস্যা দেখা দেয়। উড়োজাহাজে এ ধরনের ছোটখাটো যান্ত্রিক ত্রুটি অস্বাভাবিক নয়। এ ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে আরও সতর্ক থাকবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল চালুর বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর লক্ষ্যে জাপানের দেয়া বিভিন্ন শর্ত মেনে নেয়া হয়েছে। থার্ড টার্মিনাল চালু হলে বিদ্যমান টার্মিনাল ১ ও ২ থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা বন্ধ করা হবে।
টার্মিনাল দুটি পরিত্যক্ত থাকবে না জানিয়ে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক ফ্লাইটগুলো নতুন টার্মিনালে স্থানান্তরের পর টার্মিনাল ১ ও ২ থেকে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে। পাশাপাশি কার্গো, চার্টার্ড ও ভিভিআইপি ফ্লাইট পরিচালনার কাজেও এগুলো ব্যবহার করা হবে। এছাড়া সরকার নতুন একটি বাজেট এয়ারলাইন্স চালুর পরিকল্পনা করছে, যার কার্যক্রমও এই দুটি টার্মিনালকে কেন্দ্র করে পরিচালিত হবে।
ঢাকার ১০০ কিলোমিটারের মধ্যে নতুন কোনো বিমানবন্দর নির্মাণের পরিকল্পনা আপাতত নেই বলেও জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, একটি নতুন বিমানবন্দর নির্মাণ করতে অন্তত ১০ থেকে ১২ বছর সময় প্রয়োজন হয়। সবকিছু মিলিয়ে সেটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করতে প্রায় ১৫ বছর লেগে যায়। তাই বর্তমানে বিদ্যমান বিমানবন্দর অবকাঠামোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।



