আজকের সংবাদ | Promoting Diversity, Teaching Culture.
ig x ▶

Promoting Diversity, Teaching Culture.

শিরোনাম
দেশে কি আদৌ কোনো সরকার ব্যবস্থা আছে, প্রশ্ন জামায়াত আমিরেরদুই মাস ঘুমিয়েই ১২ লাখ টাকা জিতলেন ভারতীয় তরুণীসুনামগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষসিলেটের মাঠে হৃদয়ের ডাবল সেঞ্চুরিতে অবিশ্বাস্য রেকর্ডজুলাইয়ে লুট হওয়া ৩৭ রাউন্ড গুলিসহ যুবক গ্রেপ্তারসাংবাদিকদের প্রতিবাদে চট্টগ্রামের অনুষ্ঠান থেকে বাদ পরীমনিদেশে কি আদৌ কোনো সরকার ব্যবস্থা আছে, প্রশ্ন জামায়াত আমিরেরদুই মাস ঘুমিয়েই ১২ লাখ টাকা জিতলেন ভারতীয় তরুণীসুনামগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষসিলেটের মাঠে হৃদয়ের ডাবল সেঞ্চুরিতে অবিশ্বাস্য রেকর্ডজুলাইয়ে লুট হওয়া ৩৭ রাউন্ড গুলিসহ যুবক গ্রেপ্তারসাংবাদিকদের প্রতিবাদে চট্টগ্রামের অনুষ্ঠান থেকে বাদ পরীমনি
খেলাধুলা

পাকিস্তানের যে শহরে তৈরি হয় বিশ্বের ৭০% ফুটবল

MATI PROTIDIN•September 4, 2026
শেয়ার করুন:

ফুটবল নিয়ে উন্মাদনা ছড়িয়ে আছে গোটা বিশ্বে। কিন্তু যে বলটি দিয়ে মাঠে খেলা হয়, এত রোমাঞ্চকর মুহূর্তের জন্ম হয়, সেটির বিশাল এক অংশ আসে পাকিস্তানের একটি শহর থেকে। শহরটির নাম শিয়ালকোট। বিশ্বের প্রায় ৭০ শতাংশ ফুটবল তৈরি হয় পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের এই শহরে। তাই শিয়ালকোটকে বলা হয় বিশ্বের ‘ফুটবল কারখানা’।

শুধু সাধারণ ফুটবল নয়, বিশ্বকাপের মতো বড় আসরের বল তৈরিতেও শিয়ালকোটের রয়েছে দীর্ঘ ইতিহাস।

১৯৮২ সাল থেকে বিশ্বকাপের অফিশিয়াল বল তৈরির সঙ্গে যুক্ত এই শহর। সর্বশেষ ২০২৬ বিশ্বকাপের ম্যাচ বল ‘ট্রাইওন্ডা’ও তৈরি হয়েছে শিয়ালকোটের কারখানায়।
শিয়ালকোটের ফুটবল তৈরির ইতিহাস এক শতাব্দীরও বেশি পুরোনো। স্থানীয়ভাবে ফুটবল মেরামতের কাজ থেকে ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে বড় শিল্প।

এখন শহরটির কারখানাগুলো থেকে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক ফুটবল বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হয়।
বিভিন্ন তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তান থেকে বছরে প্রায় চার কোটি ফুটবল রপ্তানি হয়, যার বড় অংশই আসে শিয়ালকোট থেকে।

এই শহরের ফুটবল তৈরির বিশেষত্ব হলো দক্ষ কারিগরদের হাতের কাজ। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়লেও অনেক বল এখনো হাতে সেলাই করেন অভিজ্ঞ কারিগররা। একজন দক্ষ কারিগর দিনে প্রায় চারটি বল সেলাই করতে পারেন।

একটি বল নিখুঁতভাবে তৈরি করতে দীর্ঘ প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতার প্রয়োজন হয়।
বিশ্বকাপের বল তৈরির ক্ষেত্রে মান নিয়ন্ত্রণ করা হয় আরো কঠোরভাবে। বলের আকৃতি, ওজন, আকার, সেলাই ও মাঠে কার্যকারিতা—সবকিছুই পরীক্ষা করা হয়। বিশ্বকাপের একটি নতুন বল তৈরি ও পরীক্ষার পেছনে কয়েক বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

শিয়ালকোটের ‘ফরোয়ার্ড স্পোর্টস’ বিশ্বকাপের বল তৈরির ক্ষেত্রে বিশেষভাবে পরিচিত। ২০১৪ সালের ব্রাজুকা, ২০১৮ সালের টেলস্টার, ২০২২ সালের আল রিহলা এবং ২০২৬ সালের ট্রাইওন্ডা—বিশ্বকাপের একাধিক প্রজন্মের বল তৈরির সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির নাম জড়িয়ে আছে।

শিয়ালকোট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি শেখ জোহাইব রফিক শেঠি ২০২২ সালে বলেছিলেন, বিশ্বকাপের বল শিয়ালকোটে তৈরি হওয়ায় শহরটির মর্যাদা আরো বেড়েছে।

শেখ জোহাইব রফিক শেঠি আরো জানিয়েছিলেন, বিশ্বকাপের বল তৈরিতে পরিবেশবান্ধব উপাদান ও পানিভিত্তিক রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

শিয়ালকোটে তৈরি বল শহরের ক্লাব, স্কুল, একাডেমি ও সাধারণ খেলোয়াড়দের ব্যবহারের জন্যও তৈরি হয়। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের পাশাপাশি নিজেদের লোগোযুক্ত বলও তৈরি করিয়ে নেয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। ফুটবল মাঠে গড়ানোর আগে যে শহরের হাজারো মানুষের হাত ঘুরে আসে, সেই শিয়ালকোট তাই ফুটবলপ্রেমীদের কাছে অচেনা হলেও খেলাটির দুনিয়ায় তার গুরুত্ব বিশাল।

সম্পর্কিত সংবাদ

সিলেটের মাঠে হৃদয়ের ডাবল সেঞ্চুরিতে অবিশ্বাস্য রেকর্ড
খেলাধুলা

সিলেটের মাঠে হৃদয়ের ডাবল সেঞ্চুরিতে অবিশ্বাস্য রেকর্ড

November 7, 2026

তাওহীদ হৃদয়ের ব্যাটে সিলেটে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ। ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিকে ডাবল সেঞ্চুরিতে রূপ দিয়েছেন এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান।...

আরও পড়ুন
বিদায়ী ম্যাচ খেলতে চান না ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো
খেলাধুলা

বিদায়ী ম্যাচ খেলতে চান না ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো

November 6, 2026

আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের পর ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে সম্মান জানাতে বিদায়ী ম্যাচ আয়োজনের পরিকল্পনা করেছিল পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশন (এফপিএফ)।...

আরও পড়ুন